ডাঃ দিলীপ স্যারের কিছু কথা যা ভুলা যায় না কখনো।

Post Date : 2017-05-03 | Category : medical news

শ্রদ্ধেয় দিলীপ স্যারের কিছু বিখ্যাত উক্তিঃ

-আমার এই ক্লাসকে কোচিং সেন্টার বলবানা। খবরদার!

-বেয়াদব মার্কা পোলাপান। পড়ালেখা পারেনা, কিচ্ছু পারেনা, তাও পড়বেনা।

-এইটা একটা মারাত্মক দামী পড়া। মনোযোগ দাও।

-লালকালিতে অনন্ত কুটি স্টার দাও। কলমের কালি ফুরিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত................

-যারা পড়ে আসো নাই, তারা ১০ মিনিট দাঁড়াইয়া থাকো। খবরদার কেউ বসবানা! সবাইকে পড়া ধরবো।

-তুমি কি প্রধানমন্ত্রী হইছো? যে তোমাকে বাশি ফুঁ দিয়া দিয়া রাস্তা খালি করে নিয়া আসবে!

-শুনো, এফসিপিএসে পার্ট-১ পাশ করাই শেষ কথা নয়। পার্ট-১ এর পর ট্রেনিং শেষে মাত্র ৩০-৪০% ডাক্তার পার্ট-২ পাশ করতে পারবে। বাকিরা জীবনেও এফসিপিএস পাশ করবেনা। হয় প্র‍্যাকটিস জমে যাবে, নাহয় ফেইল করতে করতে হতাশ হয়ে ডিগ্রীর আশা ছেড়ে দিবে।

-তুমি মেডিসিনের ডাক্তার হবা, আর একদিন পড়াশুনা করো নাই! তুমি কিভাবে চান্স পাওয়ার আশা করো? মেডিসিন অনেক সাধনার ব্যাপার।

-আমার অনেক স্টুডেন্ট পরীক্ষার জন্য ঈদ করতে বাড়িতে যায় নাই। তারা এখন অনেকে প্রফেসর। একবার চান্স পেয়ে গেলে সারাজীবন খুশিতে ঈদ করতে পারবা।

-ব্রেকের সময় ১৫ মিনিট। এই সময়ের মধ্যে সব শেষ করে আসবা। আসলে এই ১৫ মিনিট বিড়ি টানার জন্য। ছেলেগুলা সব গিয়া বিড়ি টানবে। আমি বলি কি, বিড়ি শুধু মুখ দিয়া না খেয়ে কিছু পাছা দিয়াও টাইনো।

-বয়স ৪০'র পর থেকে, আর যারা বিড়ি টানো তারা সবাই ডেইলি একটা করে ইকোস্প্রিন/ক্লপিড খাবা। আমি প্রতিদিন একটা করে ক্লপিড খাই।

-রাতে ঘুমানোর আগে ২ গ্লাস পানি, ঘুম থেকে উঠে ২ গ্লাস পানি পান করবা। জীবনেও তোমার কিডনি নষ্ট হবেনা।

-এই হাবলুমার্কা! আগামী দিন ক্লাসে আসার আগে প্রত্যেকের বাবা মা'র s.creatinine, s.lipid profile, ecg,...... করে বডি ফাংশন লিখে নিয়ে আসবা। নইলে ক্লাসে জায়গা নাই।

-সবগুলা বেয়াদব মার্কা পোলাপান রাতজেগে বিশ্রী সিনেমা দেখে। এরা কিসের এফসিপিএসে চান্স পাবে?

-আমি সেক্স নিয়া একটা কবিতা বানাইছি। ডাইনে সেক্স, বামে সেক্স, সামনে সেক্স, পিছনে সেক্স, উপরে সেক্স, নিচে সেক্স। শুধু সেক্স আর সেক্স। এদের মাথায় সেক্স ছাড়া আর কিচ্ছু নাই।

-বাচ্চা দুই প্রকার, পেনিস ওয়ালা বাচ্চা আর পেনিস ছাড়া বাচ্চা।

-ছেলেরা বয়স ২৪'র আগে নাভির নিচে ভুলেও হাত দিবেনা। খবরদার!

-আমার এইখানে যারা ক্লাস করতে আসে, তারা অনেক প্রোডাক্টিভ। যার রিলেশন নাই, তার রিলেশন হয়। যার বিয়ে হয় নাই, তার বিয়ে হয়। যার বাচ্চাকাচ্চা হয় নাই, তার বাচ্চাকাচ্চা হয়।

-মেয়েরা, তোমরা বিয়ের পর বাচ্চা ২টা নেও, ৩টা নেও, যতখুশি নিয়া নিয়া। কোন গ্যাপ দিওনা। ৬ বছর গ্যাপ দিয়া আমি আমার ২য় বাচ্চাটাকে হারাইছি।

-তোমার কাজ হচ্ছে পড়া। তুমি পড়ো। ডিগ্রী উপরওয়ালা যখন লিখে রাখছে, তখনই হবে। আমি তোমাদের জন্য উপরওয়ালার কাছে দোআ করতেছি, যেনো প্রত্যেকে পাশ করে যাও।

-পা ফাঁক করার গল্পটা মনে আছে? পড়তে পড়তে এতো বেশি পড়বানা, যে পরীক্ষার আগের রাতে রিভিশন দিতে পারলানা। রিভিশন না দিয়া পরীক্ষার হলে গেলে কোন লাভ নাই। সুতরাং গল্পটা মনে রাইখো।

-বয়স পঞ্চাশ হইলে টাকা আসবে বন্যার পানির মত। সমস্যা হল বন্যার পানিরর সাথে কিন্তু গু ও আসে। এইখানে গু হল নারী আর মদ। তাই বন্যার সময় গু থেকে বেচে থাকতে হবে।

-এতক্ষণ যা বললাম তা দ্রুতগতিতে পাশের জনের সাথে আলাপ করো।

(collected from fb)